“ঐক‍্য হতে হবে জাতির বিবেক শিক্ষক পরিবারের কল‍্যানে”

প্রকাশিত: ১:০৪ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১৬, ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশ স্বাধীনের পরবর্তী পর্যায় থেকে শুরু করে প্রত্যেক সরকারের আমলেই সুবিধাভোগী শিক্ষক নেতাদের কারনেই শিক্ষকদের ন্যায্য অধিকার আদায় করা সম্ভব হয়নি।যখনই শিক্ষক সমাজ অধিকার আদায়ে সক্রিয় হয়েছেন ঠিক তখনই কুটকৌশলে শিক্ষক সমাজের মধ্যে তৈরী করা হয়েছে বিভাজনের ঘৃণ্য প্রাচীর.যার ধারাবাহিকতা আজও বিদ্ধমান। আর এই বিভাজনের বিষবাষ্পে বার বার ক্ষতিগ্রস্হ হয়েছেন সাধারণ শিক্ষক পরিবার।শিক্ষক সমাজ বাংলাদেশ সরকারের পেশাজীবিদের মধ্যে অন্যতম এবং সাধারণ শিক্ষকগণ ন্যায্য অধিকার আদায়ে বদ্ধপরিকর। সাধারণ শিক্ষকগণ শিক্ষা ব্যবস্হা জাতীয়করণ চায়,প্রতিনিধিত্বশীল সকল শিক্ষক সংগঠনের মধ্যে ঐক্য চায়। অনৈক্যের কারনে শিক্ষকদের ন্যায্য দাবী আদায়ের লক্ষে এযাবৎ কাল প্রতিনিধিত্বশীল শিক্ষক সংগঠন উল্লেখযোগ্য কোন সফলতা অর্জন করতে পারেনি।আমলাতান্ত্রিক জটিলতা,সুবিধাভোগী শিক্ষক নেতা,শিক্ষক নেতৃবৃন্দের মধ্যে অনৈক্য,বিবিধ কারনে শিক্ষকদের আজ এই বেহাল অবস্হা।দীর্ঘদিন পর শিক্ষক সমাজ গত ৫ অক্টোবর ২০২০ইং তারিখে সকল ভয়-ভীতি,ষড়যন্ত্র উপেক্ষা করে নজরুল ইসলাম রনি স্যারের সুযোগ্য নেতৃত্বে বিশ্ব শিক্ষক দিবসে সারা বাংলাদেশের শিক্ষক সমাজ জাতীয় প্রেসক্লাবে সমাবেশ করে দেখিয়ে দিলেন শিক্ষকতা কোন রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান নয়।শিক্ষকদের আন্দোলন কোন সরকার বা, রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নয়।শিক্ষকদের আন্দোলন ন্যায্য অধিকার আদায়ের আন্দোলন।এই শিক্ষকগণই স্হানীয়,জাতীয় নির্বাচনে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সকল ভয়-ভীতিকে উপেক্ষা করে বাবা,মা,স্ত্রী,সন্তানের কথা গুরুত্ব না দিয়ে রাষ্ট্র্রীয় দায়িত্ব পালন করেন।এই কঠিন বাস্তবতা রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দেরও সময় থাকতে অনুধাবন করা উচিত।শিক্ষক ভাই,বোন,বন্ধুদের প্রতি অনুরোধ আর ১১দফা নয়,আমাদের দাবি একটাই “শিক্ষা ব্যবস্হা জাতীয়করণ”। বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে সরাসরি সকল শিক্ষা ব্যবস্হা মুজিব বর্ষেই একযোগে জাতীয়করণের ঐতিহাসিক ঘোষনা শুনতে চাই। মোঃনজরুলইসলাম, গণসংযোগ সম্পাদক (বাশিস), কেন্দ্রীয় কমিটি ও শিক্ষা ব্যবস্হা জাতীয়করণ লিয়াঁজো ফোরামের কেন্দ্রীয় সদস্য।