কাউন্সিলর সেলিম রহমানের নামে মিথ্যা অপপ্রচার চালানোর প্রতিবাদে ফুঁসে উঠেছে ০৮নং ওয়ার্ডবাসী ।

প্রকাশিত: ১১:৫৫ পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ১৮, ২০২০

নাজমুল হোসনে, গাজীপুর :১৭/১১/২০২০ইং তারিখে দৈনিক যুগান্তরে প্রকাশিত কোনাবাড়ী এলাকার ত্রাস কাউন্সিলর সেলিম শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদে উল্লেখ করা হয়, কোনাবাড়ী এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছেন কাউন্সিলর সেলিমুর রহমান চাঁদাবাজি, দখলারিত্ব ও মাদক ব্যবসার অভিযোগ আনা হয়েছে কাউন্সিলর সেলিম রহমানের বিরুদ্ধে, যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন সংশ্লিষ্ট এলাকার জনগণের সাথে কথা বলে জানা যায় বিগত সময়ের চেয়ে বর্তমানে মানুষ অপেক্ষাকৃত ভালো অবস্থায় বসবাস করছে। উক্ত প্রতিবেদনে আরো উল্লেখ করা হয় তিনি আওয়ামীলীগে অনুপ্রবেশকারী সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এই কথা। তিনি কখনোই আওয়ামীলীগে অনুপ্রবেশকারী বা বিএনপি বা অন্য কোন সংগঠনের সাথে জড়িত ছিলেন না। কাউন্সিলর সেলিম রহমানের পিতা আলহাজ্ব মাহবুবুর রহমান কোনাবাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। এবং তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। সম্পূর্ণ আওয়ামী ঘরানার পরিবারে তার জন্ম। তার বড় ভাই হাবিবুর রহমান ছিলেন কোনাবাড়ী ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক। এমন একটি আওয়ামী ঘরানার পরিবার থেকে তার রাজনৈতিক জীবনের উত্থান অনুপ্রবেশকারী তো নয়ই বরং আওয়ামীলীগ তাদের পরিবারের হাত দিয়েই এ অঞ্চলে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে। বিগত সময়ে এই এলাকার একটি মহল ঈর্ষান্বিত হয়ে কাউন্সিলর সেলিম রহমানের জনপ্রিয়তায় ভীত হয়ে যুগান্তর পত্রিকা কে উপজীব্য করে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছিল যার স্থানীয় সরকার বিভাগ এবং অন্যান্য বিভাগের তদন্তে সম্পূর্ণ ভুল প্রমাণিত হয়েছিল। যার তদন্ত রিপোর্ট স্থানীয় সরকার বিভাগ এ খোঁজ করলেই পাওয়া যাবে। তার বিরুদ্ধে আরো অভিযোগ করা হয়েছে ঝুট ব্যবসা, কাঁচাবাজার, ডিস ব্যবসা, অবৈধ গ্যাস সংযোগ দিয়ে অবৈধ বাণিজ্য করছেন। কিন্তু এই কথা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন কারণ কাউন্সিলর সেলিম রহমান কোন ধরনের ব্যবসার সাথে জড়িত নয়। শুধুমাত্র বাসা ভাড়া দিয়ে তার সংসার চলে কাউন্সিলর নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে সকল ধরনের ব্যবসা বাণিজ্য থেকে তিনি অব্যাহতি নিয়েছেন। শুধুমাত্র ওয়ারিশ সূত্রে পাওয়া সম্পত্তির উপর নির্মিত বাসা ভাড়া তার একমাত্র উপার্জনের উৎস। উক্ত এলাকায় কোন ধরনের আবাসিক হোটেল বা রাস্তার ফুটপাত না থাকা সত্ত্বেও তার বিরুদ্ধে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয় ফুটপাতে দখল আবাসিক হোটেলে পতিতা বৃত্তি ব্যবসা এগুলো তিনি পরিচালনা করছেন যার সামাজিকভাবে সম্পূর্ণভাবে মিথ্যা ও বানোয়াট হিসেবে প্রমাণিত, কোনাবাড়ী এলাকায় বর্তমানে কোন ধরনের আবাসিক হোটেল নেই। বিগত দিনে ও কাউন্সিলর সেলিম রহমানের এলাকায় কোন আবাসিক হোটেল ছিল না। ঢাকা গাজীপুর কক্সবাজার সহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় তার জায়গা সম্পত্তি এই বিষয়টির প্রতিবাদে তিনি জানান গাজীপুরে সম্পত্তি আছে সবই তাঁর পৈতৃক সূত্রে পাওয়া কক্সবাজারে তার একটি ফ্ল্যাট আছে যেটি তিনি কাউন্সিলর নির্বাচিত হওয়ার অনেক আগেই ক্রয় করেছিলেন। তার বিরুদ্ধে আরো অভিযোগ আনা হয়েছে তিনি হরিনাচালা ইসমাইল হোসেনের ৬৯শতাংশ জমি দখল করে ভাড়া বাণিজ্য করছেন যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। হরিনাচালায় তার যে সব সম্পত্তি তার সকল কাগজপত্র আপটুডেট অবস্থায় আছে যার সম্পূর্ণ তার পৈতৃক সূত্রে পাওয়া। বরং উল্লেখিত ইসমাঈল হোসেন এলাকায় ভুমিদস্যু হিসেবে পরিচিত। ইসমাঈল ৩০শতাংশ সরকারী জমি দখল করে আছে। রাস্তা দখল করে দ্বিতল মার্কেট বানিয়ে ভোগদখল করছে।  প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে মনজুর আলম আওয়ামী মটর চালকলীগ এর কোনাবাড়ী থানা সভাপতি নামকাওয়াস্তে এই অঙ্গ সংগঠন এর নাম ব্যবহার করে মূলত মনজুর আলম কোনাবাড়ীতে চাদাঁবাজির একটি বিশাল সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছে রাকিব, দোলনসহ বিশাল একটি চাঁদাবাজি সিন্ডিকেট মনজুর আলমের নেতৃত্বে কোনাবাড়ীতে অবস্থান করছে যারা মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত মর্মে বিগত সময়ে  জাতীয় অনেক দৈনিকে লেখালেখি করা হয়েছে। নামকাওয়াস্তে এই মটরচালকলীগের অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ আনা হয়েছে যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন মূলত তারা সিটি কর্পোরেশনের নিজস্ব জমিতে অবৈধভাবে তাদের এই অফিস নির্মাণ করেছিল যা সিটি কর্পোরেশন নিজ দায়িত্বে নিয়েছে। এখনো সেই ঘরটি উক্ত স্থানে বিদ্যমান। শুধুমাত্র অবৈধ কার্যক্রম থেকে এই ঘর কে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। সরকারি বনের জমি থেকে বসবাস করা পঞ্চান্নটি ভূমিহীন পরিবারকে উচ্ছেদের বিষয়ে যে উল্লেখ করা হয়েছে মূলত সেই ঘটনাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট এই জমিটি তিনবিঘা, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের নিজস্ব জমি। জমির দলিল গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের কাছে সংরক্ষিত আছে এবং ওই স্থানটি গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের সম্পত্তি বিভাগ উচ্ছেদ করেছেন। উক্ত স্থানে স্থানীয় ভাবে বিভিন্ন পরিবহন মালিকরা খালি থাকা সাপেক্ষে সিটি কর্পোরেশনের অনুমতি নিয়ে কিছু যানবাহন রাখেন যার কাছ থেকে প্রতিমাসে মাসোয়ারা হিসেবে মটরচালকলীগের নামে মনজুর আলম চাঁদাবাজি করতেন বর্তমানে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন সে সকল চাঁদাবাজি বন্ধ করে দেওয়ার পরেও হেলাল উদ্দিন হেলু মালিক সমিতির নামে উক্ত স্থান থেকে চাঁদাবাজি প্রতিমাসে নিয়মিত করে যাচ্ছেন। উক্ত ঘটনার সাথে বা স্থানের সাথে কাউন্সিলর সেলিম রহমানের কোন ধরনের সম্পৃক্ততা নেই। কাউন্সিলর সেলিম রহমানের বিরুদ্ধে এ ধরনের অপপ্রচার চালানোর জন্য এলাকাবাসী ও আওয়ামীলীগ দলীয় সকল অঙ্গ সংগঠন সহ সকলের নিন্দা প্রস্তাব করেছেন। ৮ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল কাদের মোল্লা জানান যুগান্তর পত্রিকা কাউন্সিলর সেলিম রহমানের বিরুদ্ধে যে খবর প্রকাশ করেছে এলাকাবাসী হিসেবে এবং দলীয় ভাবে আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। ৮ নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি জাহিদ হাসান নয়ন, কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক সোহেল মিয়া এর তীব্র প্রতিবাদ জানান। শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম বিপ্লব, যুবলীগ নেতা মোঃ মারুফ দেওয়ান, মোঃ জাকির হোসেন সহ সকল অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ এর তীব্র নিন্দা জানায়। স্থানীয় আওয়ামীলীগকে দুই ভাগ মূলত হেলাল উদ্দিন হেলু নিজে করেছেন। জেলখানা রোড যে নতুন অফিসটি কথা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে তা হেলাল উদ্দিন হেলু নিজে করেছেন মূলত ৮নং ওয়ার্ডে ৩০বছর যাবত একই স্থানে আওয়ামীলীগের কার্যালয় ছিল এবং আছে। এছাড়া তাকে সমাজ সেবায়য বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ বিভিন্ন জাতীয় ও আর্ন্তজাতিক সংগঠন এর পক্ষ থেকে বিভিন্ন পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে তারমধ্যে উল্ল্যেখ যোগ্য মাদার তেরেসার সম্মাননা স্মারক শেরে বাংলা একে ফজলুল হক গোল্ডেন শাইনিং এয়্যার্ড। কাউন্সিলর সেলিম রহমান উক্ত ঘটনারব্যাপারে বলেন এইরকম মিথ্যা এবং বানোয়াট খবর যুগান্তর পত্রিকা এবং যমুনা টেলিভিশন আমার বিরুদ্ধে পূর্বেও করেছিল আমার পৈতৃক সম্পত্তির একটি অংশ যমুনা গ্রুপের কাছে বিক্রি করতে রাজি না হওয়ায় যমুনা গ্রুপ এই মিডিয়াকে উপজীব্য করে এই ধরনের ঘটনা আমার বিরুদ্ধে ঘটিয়ে চলেছে বিগত দিনে আমার বিরুদ্ধে এই ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্ত স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে তদন্ত করা হয়েছে সমস্ত তদন্ত আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ গুলোর মিথ্যা প্রমাণ পাওয়ায় আমাকে অভিযোগ গুলো থেকে অব্যাহতি দিয়েছে যার একটি তদন্ত রিপোর্ট আমার কাছেও আছে। স্থানীয় সরকার বিভাগ এ খোঁজ নিলে আপনারা এই বিষয়গুলো সত্যতা খুঁজে পাবেন। কোনাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এমদাদ হোসেন এর সাথে আমার যে সখ্যতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও বানোয়াট। ওসি এমদাদ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে তার নিজ দায়িত্ব পালন করে জনপ্রতিনিধি হিসেবে আমি আমার নিজ দায়িত্ব পালন করি দায়িত্ব পালন এর খাতিরে এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সহযোগিতা করার জন্য যতটুকু সম্পর্ক থাকা জরুরি তার সাথে আমার ততটুকুই আছে। প্রয়োজনের বাইরে কোন সখ্যতা নেই। প্রতিবেদনে আমার বিরুদ্ধে যে ছবিটি ব্যবহার করা হয়েছে তা একটি সামাজিক অনুষ্ঠানের ছবি।